In the Name of Allah, The Most Gracious, Ever Merciful.

Love for All, Hatred for None.

Browse Ahmadiyya Bangla

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمـٰنِ الرَّحِيمِ

জুমুআর খুতবার সারাংশ

আমেরিকা জামাতের ৬০তম সালানা জলসার উদ্বোধন

সৈয়্যদনা হযরত আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মসীহ্‌ আল্‌ খামেস (আই:)

পেনসিলভেনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

২০শে জুন, ২০০৮ইং

أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك لـه، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله. أما بعد فأعوذ بالله من الشيطان الرجيم*

بسْم الله الرَّحْمَن الرَّحيم * الْحَمْدُ لله رَبِّ الْعَالَمينَ * الرَّحْمَن الرَّحيم * مَالك يَوْم الدِّين * إيَّاكَ نَعْبُدُ وَإيَّاكَ نَسْتَعينُ * اهْدنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقيمَ * صِرَاط الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْر الْمَغْضُوب عَلَيْهمْ وَلا الضَّالِّينَ (آمين)

উচ্চারণ: আশহাদু আন্‌ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু আম্মা বা’দু ফাউযু বিল্লাহি মিনাশ্‌ শাইতানির রাজীম। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন আর্‌ রহমানির রাহীম মালিকি ইয়াওমিদ্দিন ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন ইহদিনাসসিরা তাল মুস্তাকীম সিরাতাল্লাযীনা আনআমতা আলাইহীম গাইরিল মাগযুবে আলাইহীম ওয়ালায্‌ যোয়াল্লীন। (আমীন)

হুযূর বলেন, আজ এ জুমুআর খুতবার মাধ্যমে আমেরিকা জামাতের ৬০তম সালানা জলসার উদ্বোধন হচ্ছে। ইতোপূর্বে জামাতের ক্রয়কৃত ২২ একর জমির উপর কিছুকাল এ জলসা হয়েছে কিন্তু প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা সেখানে না থাকার কারণে এখন ভাড়া করা জায়গায় জলসা হচ্ছে। হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ) খোদার নির্দেশে প্রথম যে জলসা করেছিলেন তাতে মাত্র ৭৫ জন নিষ্ঠাবান খোদা প্রেমিক যোগদান করেছিলেন। এরা ছিলেন হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ) কতৃক সরাসরি তরবিয়ত প্রাপ্ত খোদাপ্রেমিক ও বিচক্ষণ সাহাবী। মসজিদের ভেতর অনুষ্ঠিত এ জলসা একদিন মসজিদের বাইরে আসার ছিল আর কেবল মসজিদের বাইরের ছোট মাঠেই নয় বরং বিশাল বিশাল ময়দানে এ জলসা অনুষ্ঠিত হওয়া জামাতের জন্য নির্ধারিত তকদির ছিল আর আজ তাই হচ্ছে। আমেরিকা সেই জামা'ত যেখানে প্রথম মিশনারী এলে তাঁকে নজর বন্দী করে রাখা হয়, তাঁর চলাফেরা ও তবলীগের উপর বিধি-নিষেধ ছিল। কিন্তু দেখুন! খোদার অপার অনুগ্রহে আজ সেই আমেরিকাতেই জামা'ত জলসা করার জন্য একশ’ বা দু’শ একর জমি খুঁজছে। আমাদের এ জলসা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে নয়। আর সংখ্যার বড়াই করা বা সংখ্যা দেখিয়ে বিশ্ববাসীকে তাক লাগোনো এর উদ্দেশ্য নয় বরং যুগ ইমাম হযরত মসীহ্‌ মওউদ ও ইমাম মাহদী (আঃ) জলসার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্বন্ধে বলেনঃ

‘প্রত্যেক নিষ্ঠাবান ব্যক্তির সরাসরি জ্ঞান লাভের সুযোগ ঘটে। যোগদানকারীদের জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত হয়। তারা তত্ত্বজ্ঞানে সমৃদ্ধ হন। আর সাক্ষাৎ লাভে ভাইদের পরিচিতির পরিধি ব্যাপকতর হয় এবং এ জামাতের সদস্যদের ভ্রাতৃত্ব ও সমপ্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় হয়। তরবিয়ত, ত্বাকওয়া এবং ইবাদতের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়।’

হুযূর বলেন, বারংবার শোনা সত্বেও সহজাত মানব প্রকৃতির কারণে মানুষ ভুলে যায়। এছাড়া শয়তান মানুষকে ধোঁকা দেয়া বা পথভ্রষ্ট করার জন্য সূচনা থেকেই সংকল্পবদ্ধ। তাই আল্লাহ্‌তা’লা মু’মিনদের ঈমানী অবস্থা দৃঢ় রাখার জন্য বার-বার নসীহত করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমান যুগে খোদাতা’লা নসীহতকারী হিসেবে হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-কে নিযুক্ত করেছেন এবং তাঁর পর তাঁর খলীফাদের উপর এ দায়িত্ব বর্তেছে। আল্লাহ্‌তা’লা পবিত্র কুরআনে মু’মিনদেরকে নির্দেশ দিতে গিয়ে বলেন,

أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ

অর্থাৎ, ‘তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ্‌র এবং আনুগত্য কর এই রসূলের।’ (সূরা আন্‌ নিসা: ৬০)

হুযূর বলেন, খোদার নির্দেশ মোতাবেক আজ যদি আমরা হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ) জলসার যে পবিত্র উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছেন সে মোতাবেক কাজ করি তাহলে এ পৃথিবী জান্নাতের রূপ নেবে।

হুযূর বলেন, ত্বাকওয়া হচ্ছে পেয়ালা আর নেকী হচ্ছে এতে রাখা খাদ্য, যা মানুষকে আধ্যাত্মিকভাবে শক্তিশালী করবে। আল্লাহ্‌তা’লা পবিত্র কুরআনে বলেন,

وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا

অর্থাৎ, ‘এবং যারা আমাদের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে চেষ্টা ও সাধনা করে, নিশ্চয় আমরা তাদেরকে আমাদের কাছে আসার পথসমূহ প্রদর্শন করব।’ (সূরা আল্‌ আন্‌কাবুত: ৭০)

মানুষ যদি খোদার সাথে মিলিত হবার বাসনায় তার আত্মারূপ পেয়ালা ত্বাকওয়া বা খোদাভীতি দ্বারা সজ্জিত ও পরিপূর্ণ রাখে তাহলে খোদা তার নেক মনোবাসনা পূর্ণ করেন। কিন্তু খোদার সাথে সাক্ষাতের পূর্ব শর্ত হচ্ছে ত্বাকওয়া, এদিকে আমাদের বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। বর্তমানে মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় তৈজস-পত্র বা থালা-বাসন পরিস্কার রাখার জন্য কত ধরনের সাবান ব্যবহার করে। এসব জাগতিক থালা-বাসন যা মানুষের সাথে যায় না তা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এত আয়োজন হলে, হৃদয়রূপী পেয়ালা যাতে পুণ্যরূপী খাদ্য রাখা হয় তা পরিস্কার রাখার জন্য আমাদের কত চেষ্টা করা উচিৎ। যদি এ পেয়ালা পরিস্কার থাকে অর্থাৎ আপনাদের মধ্যে ত্বাকওয়া থাকে তাহলে আপনাদের পরবর্তী প্রজন্ম এত্থেকে লাভবান হবে। নেকীরূপী খাদ্য এমন যা কখনও বিনষ্ট হয় না বরং আত্মাকে শক্তিশালী করে ফলে মানুষ নফসে আম্মারার উপত্যকায় হাবুডুবু খাবার পরিবর্তে বীরত্বের সাথে এর মোকাবিলা করে। সর্বদা আমাদের ত্বাকওয়া বা খোদাভীতি অবলম্বনের উদগ্র বাসনা রাখতে হবে।

এ পর্যায়ে হুযূর ত্বাকওয়া সম্পর্কে হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর বিভিন্ন উদ্ধৃতি পাঠ করেন, যাতে হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ) মানব জীবনের মূল উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছেন।

‘ত্বাকওয়া হচ্ছে সকল পুণ্যের মূল, যে কাজে এ মূল অটূট থাকে তা কখনও ধ্বংস হবে না। ত্বাকওয়ার দাবী হচ্ছে, মানুষ খোদাতা’লার সকল আমানত ও খোদার সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং সৃষ্টির সকল প্রাপ্য যথাসম্ভব পূর্ণ করবে অর্থাৎ এর সূক্ষ্ণাতিসূক্ষ্ণ দাবীকেও যথাসম্ভব পালন করার চেষ্টা করবে।’

হুযূর বলেন, ধর্মে ত্বাকওয়ার প্রতি বিশেষভাবে জোর দেয়ার কারণ, সকল অবস্থায় এটিই মানুষের রক্ষা কবচ। সকল সমস্যা থেকে রক্ষার জন্য নিরাপত্তা-দূর্গ। তাই ত্বাকওয়া সম্পর্কে হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর কথা হালকা দৃষ্টিতে না দেখে নিজের অবস্থান খতিয়ে দেখা উচিৎ, তাহলেই নিজেদের ইহ ও পরকালে নিরাপদ আশ্রয়ে পাবেন।

হুযূর বলেন, খোদাতা’লা কেবল এটিই বলেন ন�� যে, আমার দিকে অগ্রসর হবার চেষ্টা কর বরং এ যুগে মানুষকে সত্য ও পুণ্যের পথে পরিচালিত করার জন্য পথপ্রদর্শক প্রেরণ করে আমাদেরকে সত্যের পানে পরিচালিত করার ব্যব���্থা নিয়েছেন।

হুযূর বলেন, ত্বাকওয়া বা খোদাভীতি অবলম্বনের জ��্য হৃদয়ে একটি উদ্দীপনা ও প্রেরণা সৃষ্টি হওয়া আবশ্যক। ত্বাকওয়াশীল হবার জন্য হৃদয়কে কোমল ও নরম করতে হবে। হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ) একস্থানে বলেন,

‘আমার ধর্মের কোন ভাই যদি আমার সাথে কঠোর ব্যবহার করে আর আমিও যদি প্রত্যুত্তরে তদ্রুপই করি তাহলে, ধিক! আমার উপর; বরং আমার উচিত তার জন্য নামাযে এই দোয়া করা, ‘হে আল্লাহ্‌! আমার ভাই রুগ্ন তাকে আরোগ্য দাও, তার সংশোধন করো। এটি না করে তার দোষ-ত্রুটি বলে বেড়ানো বড় অন্যায়।’

হৃদয়কে কোমল ও নরম করে যতক্ষণ নিজেকে তুচ্ছ না ভাববে ততক্ষণ তোমার মাঝে ত্বাকওয়া সৃষ্টি হবে না। জাতির নেতা হবার অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে, বিনয় অবলম্বন ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করা।

আল্লাহ্‌র ফযলে জামাতে এমন অনেক বন্ধু আছেন যারা বিনয় ও নম্রতার অনুপম দৃষ্টান্ত কিন্তু এর বিপরীত চিত্রও আছে। যে ব্যক্তি মু’মিন ভাইয়ের জন্য দোয়া করে, সে কি করে তার ভাইকে অবজ্ঞা করতে পারে। প্রসঙ্গক্রমে আজ আরেকটি বিষয়ের প্রতিও আপনাদের মনোযোগ আকর্ষণ করছি, এখানে অর্থাৎ আমেরিকাতে মোট তিন ধরনের আহ্‌মদী আছে। (এক) পাকিস্তানী আহ্‌মদী (দুই) আফ্রো-আমেরিকান আহ্‌মদী, যাদের মধ্যে নতুন-পুরাতন সব ধরনের আহ্‌মদী আছেন, (তিন) শ্বেতাঙ্গ আমেরিকান আহ্‌মদী। পাকিস্তানী এবং আফ্রো-আমেরিকান আহ্‌মদীদের মাঝে যে সৌহার্দ্র ও ভ্রাতৃত্ববোধ থাকা উচিৎ তা সর্বত্র দেখা যায় না। উভয় পক্ষ থেকেই অভিযোগ শোনা যায়। হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর হাতে বয়’আত করার পর এরূপ করা শোভা পায় না। তিনি একান্ত বিনয়ী ছিলেন। স্বয়ং খোদাতা’লা তার বিনয় পছন্দ করে ইলহাম করেছেন,

‘তেরী আজেযানা রাহেঁ উসকো পছন্দ আয়ী।’

‘তোমার বিনয়াবনত পন্থা তাঁর (খোদার) পছন্দ হয়েছে।’

হুযূর বলেন, আপনারা রেষারেষি বা ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ হোন। এমন বন্ধন প্রতিষ্ঠা করতে হবে যা মদীনার আনসারীরা মুহাজের ভাইদের প্রতি প্রদর্শন করেছিলেন; যা দেখে পৃথিবী আশ্চর্য বা বিস্মতি হয়েছে। যদি বিশ্বকে আকর্ষণ করতে হয় তাহলে নিজেদের মধ্যে বিনয় সৃষ্টি করা আর পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করার কোন বিকল্প নেই। বিশ্ববাসীকে মহানবী (সাঃ)-এর পতাকা তলে সমবেত করতে হবে। যদি আমাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য না থাকে তাহলে অপরের কাছে কিভাবে দাওয়াত পৌঁছাবেন। মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর জামা’তভূক্ত হবার পর যদি নিজেদের মধ্যে পবিত্র পরিবর্তন না আনেন তাহলে তবলীগ কিভাবে করবেন। তাই সকল ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে পৃথিবীকে আকর্ষণ করার মত সৌন্দর্য নিজেদের মাঝে সৃষ্টি করুন।

হুযূর বলেন, একটি আফ্রো-আমেরিকান পরিবারের সাথে মিলিত হবার সুযোগ ঘটেছে, যাদের বাড়ীতে পাকিস্তানী পুত্রবধুও আছে। তাদেরকে অত্যন্ত সুখী ও সত্যিকার আহ্‌মদী পরিবার বলে মনে হয়েছে। হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর আবির্ভাবের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের হৃদয় জয় করা। এ চেতনা যদি না থাকে তাহলে জামাতের উন্নতি ও দৃঢ়তার জন্য খলীফার হাতকে শক্তিশালী করার দাবী বুলি সর্বস্ব হবে।

হুযূর বলেন, মহানবী (সাঃ) বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছেন,

‘তোমাদের সবার পূর্বপুরুষ একজন। মুসলমান ভাই ভাই। তোমরা সবাই সমান। কোন শ্বেতাঙ্গের কোন কৃষ্ণাঙ্গের উপর বা কোন কৃষ্ণাঙ্গের শ্বেতাঙ্গের উপর কোন প্রকার শ্রেষ্টত্ব নেই।’

মহানবী (সাঃ)-এর এ কথাগুলো সকল আহ্‌মদীকে স্মরণ রাখতে হবে। আফ্রো-আমেরিকান আহ্‌মদীদেরকে উদ্দেশ্য করে হুযুর বলেন, সকল প্রকারের মনোমালিন্য ও হীনমন্যতা ভুলে যান আর সর্বদা মনে রাখবেন আপনারা হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর হাতে বয়’আত করেছেন। অন্য কে কি করলো সেদিকে না তাকানোই উত্তম।

হুযূর বলেন, সময় স্বল্পতা সত্বেও আমি মানুষের বিবাদ-বিসম্বাদ মিমাংসার চেষ্টা করি; তাদের কথা শুনে সমাধানের উদ্যোগ নেই। জামাতের কর্মকর্তাদেরও এদিকে পূর্ণ মনোযোগ দেয়া আবশ্যক। যে সকল কর্মকর্তা এদিকে মনোযোগ দেয়ার সময় পায়না তাদের সচ্ছোয় দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া উচিত।

এরপর হুযূর বিয়ে-শাদী সম্পর্কে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, এক্ষেত্রে অনেক অনাকাংখিত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, তাত্থেকে জামা'ত এবং পরিবারকে রক্ষা করতে হবে। বিয়ে করার পূর্বে বা দেবার পূর্বে পছন্দ অপছন্দের বিষয়টি বিবেচনা করুন, বিবাহ্‌ হয়ে যাবার পর এ প্রশ্ন উঠানো অবান্তর। মহানবী (সাঃ) সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ধার্মিকতাকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন। যদি আপনারা খোদার উপর ভরসা করে এমন ধার্মিক জীবন সঙ্গী বেছে নেন তাহলে উদ্ভুত পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে।

হুযূর বলেন, আমি চিন্তিত এবং উদ্বিগ্ন। ত্বাকওয়ায় ঘাটতি না থাকলে এমন সমস্যা সৃষ্টি হবার কথা নয়। আপনারা অন্যায় ও অসৎ ব্যবহার পরিহার করুন। নিজেদের ভেতর একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সৃষ্টি করুন কেননা মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর হাতে বয়’আত করার পর পরিবর্তন আনয়ন আবশ্যক। আল্লাহ্‌তা’লা জলসায় যোগদানকারী সকল নিষ্ঠাবান আহ্‌মদীকে নেকী ও ত্বাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে জীবন চলার তৌফিক দিন।

প্রাপ্ত সুত্রঃ কেন্দ্রীয় বাংলা ডেস্ক, লন্ডন, ইউকে