In the Name of Allah, The Most Gracious, Ever Merciful.

Love for All, Hatred for None.

Browse Ahmadiyya Bangla

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمـٰنِ الرَّحِيمِ

জুমুআর খুতবার সারাংশ

পশ্চিম আফ্রিকা সফরের ঈমানউদ্দীপক ঘটনাবলী

সৈয়্যদনা হযরত আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মসীহ্‌ আল্‌ খামেস (আই:)

বাইতুল ফুতুহ্‌ মস্‌জিদ, লন্ডন, ইউকে

৯ই মে, ২০০৮ইং

أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك لـه، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله. أما بعد فأعوذ بالله من الشيطان الرجيم*

بسْم الله الرَّحْمَن الرَّحيم * الْحَمْدُ لله رَبِّ الْعَالَمينَ * الرَّحْمَن الرَّحيم * مَالك يَوْم الدِّين * إيَّاكَ نَعْبُدُ وَإيَّاكَ نَسْتَعينُ * اهْدنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقيمَ * صِرَاط الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْر الْمَغْضُوب عَلَيْهمْ وَلا الضَّالِّينَ (آمين)

উচ্চারণ: আশহাদু আন্‌ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু আম্মা বা’দু ফাউযু বিল্লাহি মিনাশ্‌ শাইতানির রাজীম। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন আর্‌ রহমানির রাহীম মালিকি ইয়াওমিদ্দিন ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন ইহদিনাসসিরা তাল মুস্তাকীম সিরাতাল্লাযীনা আনআমতা আলাইহীম গাইরিল মাগযুবে আলাইহীম ওয়ালায্‌ যোয়াল্লীন। (আমীন)

হুযূর (আই:) বলেন, আজকের খুতবায় আমি পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে সফল সফর সম্পর্কে আপনাদের সম্মুখে কিছু বলবো। খিলাফত জুবিলি উপলক্ষ্যে এটি ছিল আমার প্রথম সফর। সেখানে আমি যা কিছু দেখেছি তা ভাষায় বর্ণনা করা আমার জন্য সাধ্যাতীত। আপনারা এমটিএ’র ক্যামেরায় ধারণকৃত বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখেছেন কিন্তু সেখানে যা কিছু ঘটেছে তার সামান্যই এই ক্যামেরার চোখ ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। সংক্ষেপে শুধু এটুকু বলা যেতে পারে যে, আমাদের খোদা বড়ই সত্য খোদা। তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পালনে চিরন্তন সত্য। হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর সাথে কৃত অঙ্গীকার ‘আমি তোমার প্রচারকে পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে পৌঁছাবো’ এবং ‘মানুষের হৃদয়ে তোমার ভালবাসা প্রোথিত করবো। আর তোমার সম্মান উন্নীত করবো’। খোদাতা’লা তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন শতভাগ। আফ্রিকার মানুষ কিভাবে এ মুহাম্মদী মসীহ্‌র ভালবাসায় আবদ্ধ হয়েছেন তার কিছু দৃষ্টান্ত আপনাদের সম্মুখে উপস্থাপন করছি।

হুযূর (আই:) বলেন, আফ্রিকার মানুষ পার্থিবতার দৃষ্টিকোণ থেকে নিঃস্ব ও হতদরিদ্র হওয়া সত্বেও হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর প্রতি ভালবাসা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার জলন্ত প্রমাণ। পৃথিবীর সকল ভালবাসার উপর তাদের আবেগ ও আন্তরিকতা শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছে। আজ যুগ মসীহ্‌র খলীফার প্রতি তাদের ভালবাসায় কোন খাঁদ বা ঘাটতি নেই। তারা খলীফার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার আবেগে আপ্লুত বরং নিমগ্ন।

বিরুদ্ধবাদীরা এ অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখে বলে, দরিদ্রদেরকে অর্থের মোহে তোমাদের জালে ফাঁসিয়েছ ! কিন্তু তারা জানে না সকল যুগে দরিদ্র শ্রেণীই সর্বপ্রথম নবীদের মেনেছে এবং তাদের সাহায্যে কুরবানী দিয়েছে।

হুযূর (আই:) বলেন, আফ্রিকায় আমি দেখেছি, তাদের পরিধানে পোষাকের স্বল্পতা আছে। খাদ্য, পানীয়, বস্ত্র, বাসস্থান ও বিদ্যুতসহ আনুষঙ্গিক অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও তারা যুগ মসীহ্‌র খলীফার সাথে মিলিত হবার বাসনায় চরম কুরবানী করছে। তাদের চেহারা, চোখ বরং শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ থেকে ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। যদি তাদের কাছে কোন সম্পদ থাকতো তাহলে তাও খলীফার জন্য কুরবানী করতে তারা কুন্ঠিত হতো না বলে আমার বিশ্বাস। আফ্রিকার এসব জ্যোতিষ্মান নিষ্ঠাবান আহ্‌মদীদের সম্পর্কে সংক্ষেপে বলছিঃ

আপনারা এমটিএ’তে দেখেছেন আমার ঘানায় পৌঁছার দৃশ্য। এয়ারপোর্টে কিভাবে তারা খলীফাকে প্রাণঢালা অভ্যর্থনা জানিয়েছে। সেখানে উপস্থিত মানুষ দেখেছে তাদের আবেগ ও অনুভূতি। এমটিএ’ তে যা দেখেছেন ঘটনা তার চেয়ে বহুগুণ বেশি। আমরা এরপরে পৌঁছি জামাতের জন্য নতুন ক্রয়কৃত সম্পত্তি ‘বাগে আহমদে’ এটি জামাতের জন্য খোদার একটি দান। প্রধাণ সড়কে পার্শ্বে ৪৬০ একর জমি। সেখানে একটি শহর আবাদ হয়েছে। ঘানা জামা'ত সুন্দর পরিকল্পনা করে সেখানে রাস্তা-ঘাট, পানির ব্যবস্থা করেছে। সেখানকার মাটি খুবই উর্বর, এক পশলা বৃষ্টি হলেই চারিদিকে সুবজের সমারোহ দেখা যায়। এক কথায় সেখানে চমৎকার আয়োজন করেছে ঘানা জামা'ত। চতুর্দিক থেকে মানুষ এসেছে। কেবল জলসায় যোগ দেয়ার জন্যই তারা এসেছে। ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই বলেছে, জলসায় এসেছি, ১/২ দিনের কষ্টতে কি আসে যায়। অনেকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটিয়েছেন কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ নেই বরং খিলাফত জুবিলির জলসায় যোগদান করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছে। মোট উপস্থিতি ছিল এক লক্ষের উপরে। এর মধ্যে ঘানার বাইরে থেকে এসেছে পাঁচ হাজার নিষ্ঠাবান খোদা প্রেমিক।

হুযূর (আই:) বলেন, বুর্কিনাফাঁসো থেকে এসেছে প্রায় তিন হাজার আহ্‌মদী। প্রায় ষোলশ’ কিঃমিঃ পথ পাঁড়ি দিয়ে সাত দিন সাইকেল চালিয়ে তিনশ’ আহ্‌মদী যুবক যোগ দিয়েছে এ জলসায়। বুর্কিনাফাঁসোর সদর খোদ্দাম সাক্ষাৎকারে বলেছেন, প্রথম যুগের মুসলমানরা অনেক কষ্ট করেছেন। আমরা খিলাফত জলসায় যোগ দিয়ে খলীফার প্রতি আমাদের আন্তরিকতা ও ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে চাই। সেই চিরস্থায়ী খিলাফত, স্বয়ং রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) যার ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। খোদ্দামদের এ সাইকেল ভ্রমন স্থানীয় মিডিয়াতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সংবাদ মাধ্যম বলেছে, ‘তাদের সাইকেল ভাঙা হলে কি হবে তারা নিজেদের ঈমানের বলে বলীয়ান’। ‘খিলাফত জুবিলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য তারা এ দুরূহ কাজ করছে’। বুর্কিনাফাঁসোর জাতীয় টেলিভিশনের হেড লাইন নিউজ ছিল ‘আল্লাহ্‌র খাতিরে খিলাফত জুবিলিতে যোগদানের জন্য ওয়াগা থেকে আক্রার উদ্দেশ্যে সফর’।

হুযূর (আই:) বলেন, এরা কোন পুরনো আহ্‌মদী নন। কোন সাহাবীর আওলাদ নন। কিন্তু যেখানে ধর্মের প্রশ্ন আসে সেখানে তারা পাহাড়ের ন্যায় দৃঢ়তা প্রর্দশন করেন। আমি দেখেছি, খিলাফতের প্রতি তাদের ভালবাসা অশ্রু হয়ে ঝরছে। হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আঃ)-এর খোদা তাদের হৃদয়ে কি বিপ্লব সৃষ্টি করেছে যা চোখে না দেখলে বুঝা সম্বব নয়।

গাম্বিয়া থেকে সাত হাজার কিঃমিঃ সড়ক পথ পাড়ি দিয়ে তিনটি দেশ অতিক্রম করে ৫দিনে একটি টীম জলসায় পৌঁছেছে। তারা প্রথমে কোন বিশ্রামস্থলে যাননি বরং সরাসরি নামায গাহে এসেছেন। তাদের চেহারায় কোন ক্লান্তি ছিল না বরং সব কিছু পাবার আনন্দে তারা ছিলেন ��িভোর। আইভরিকোষ্ট থেকেও এক হাজার নিষ্ঠাবান আহ্‌মদী এ বরকতপূর্ণ জলসায় যোগদান করেছেন।

হুযূর (আই:) বলেন, আইভরিকোষ্টের ‘ভিংরো’ অঞ্চলের একটি জামা'ত জুবিলি একশ’ জনের একটি টীম জলসায় যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং �����ফর খরচ ন��র্বাহের জন্য ছয় মাস পূর্বে ক্ষেতে ফসল বুনে, কিন্তু খোদা এত বরকত দিয়েছেন যে, ফসল বিক্রি করে ১০৩জন জলসায় যোগদান করেন। তাদের সংকল্পের কাছে পাহাড় তুচ্ছ মনে হচ্ছিল।

হুযূর (আই:) বলেন, এধরনের অনেক ঘটনা আছে, প্রচন্ড অসুস্থ্যতা সত্বেও হাবীবা নামের এক বোন এ জলসায় যোগদান করেন। এবং আসার পূর্বে তিনি বাড়ীর সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসেন যে, আমার শরীরের যে অবস্থা তাতে ফিরে আসতে পারবো বলে মনে হয় না। আপনার আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। তিনি জলসা গাহে পৌঁছেন এবং সফরের ক্লান্তি, প্রচন্ড গরম এবং অসুস্থ্যতাহেতু মারা যান। আমি তার জানাযা পড়িয়েছি। হুযূর (আই:) বলেন, ঘানা সম্বন্ধে আমি যে কয়টি ঘটনা বর্ণনা করলাম তা মূল ঘটনার তিনশত ভাগের এক ভাগের বেশি হবে না।

হুযূর (আই:) বলেন, ঘানার আহ্‌মদীদের মাঝে খিলাফতের প্রতি ভালবাসার সমুদ্র রয়েছে। ১৯৮০ সনে খলীফাতুল মসীহ্‌ সালেস (রাহেঃ) যখন আফ্রিকা সফল করেন তখন প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণও এমনটিই ছিল। জুমুআর নামাযের দৃশ্য সবাই দেখেছেন। আমি যখনই আহ্‌মদীদের দিকে তাকিয়েছি তাদের মধ্যে ভালবাসার ঢেউ খেলে যেতে দেখেছি। প্রচন্ড গরমের মধ্যে একঘন্টা খোলা আকাশের নীচে গনগনে রোদে বসে অত্যন্ত ধৈর্য্যের সাথে তারা খুতবা শুনেছেন। আইভরিকোষ্ট থেকে আগত একজন ব্যক্তিত্ব বলেন, হজ্জের পর জুমুআর নামাযের এত বড় জমায়েত আমি আজ প্রথম দেখলাম।

হুযূর (আই:) বলেন, আমি ভাবছিলমা তাদের এ দৃষ্টান্তপূর্ণ আবেগ ও শ্রদ্ধা এমটিএ সঠিকভাবে দেখাতে পারবে তো! কিন্তু আমাদের এখানকার টীম অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সকল দৃশ্য ধারণ ও সম্প্রচার করেছে, আল্লাহ্‌তা’লা তাদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা কবুল করুন।

হুযূর (আই:) বলেন, ঘানার আহ্‌মদীরা শুধু চেহারা দিয়েই খিলাফতের প্রতি ভালবাসা প্রদর্শন করেনি বরং তারা ইবাদতের প্রতিও জোর দিয়েছেন। তাহাজ্জুদ এবং ফজরের নামাযেও জুমুআর নামাযের মতই উপস্থিতি ছিল। বরং শেষদিন আমার মনে হয়েছে জুমুআর চেয়েও উপস্থিতি বেশি ছিল।

হুযূর (আই:) বলেন, ঘানা জলসায় মহিলাদের উপস্থিতি পঞ্চাশ হাজারের নিচে হবে না। সেখানকার লঙ্গরখানার দায়িত্ব পালন করেছে মহিলারা।

হুযূর (আই:) বলেন, একদিন প্রচন্ড বৃষ্টি ও প্রবল বাতাস বইতে থাকে। আমি আমার ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি একজন খোদ্দাম প্রচন্ড বৃষ্টি ও প্রবল বাতাস উপেক্ষা করে কোন ছাতা ছাড়াই অনড় দাঁড়িয়ে কর্তব্য পালন করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ দায়িত্ব পালনে তাকে এতটুকু শিথিল করেনি। খিলাফতের প্রতি ঘানার আহ্‌মদীদের আন্তরিকতা ও ভালবাসার কথা যতই বর্ণণা করি না কেন তা কম হবে। তাদের থেকে এখন অন্যদের শিক্ষা নিতে হবে।

হুযূর (আই:) বলেন, এরপরে আমরা বেনিন যাই। এবং সেখানে পুরতোনভো’তে নির্মিত একটি মসজিদের উদ্বোধণ করি। দেশের মন্ত্রী আমাদেরকে স্বাগত জানান। সেখানকার জলসায়ও ২২হাজার ধর্মপ্রাণ আহ্‌মদী উপস্থিত ছিলেন। প্রেসিডেন্ট এর বিশেষ উপদেষ্ঠা সাক্ষাত করেন। একজন সাংসদ বয়’আত করেন। বেনিনও একেবারেই নতুন জামা'ত কিন্তু খিলাফতের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বস্ততায় এগিয়েছে অনেক।

হুযূর (আই:) বলেন, বেনিন থেকে নাইজেরিয়া যাই। সেখানেও মসজিদ উদ্বোধণ করা হয়। আফ্রিকান নারীরা খলীফার প্রতি যে ভালবাসা রাখেন তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। নাইজেরিয়ার জলসায় নাইজার, চাদ্ ও ক্যাঁমেরুন থেকে আহ্‌মদীরা যোগদান করেছেন। সেখানেও সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাত হয়েছে আর তাদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধায় আপ্লুত হয়েছি।

হুযূর (আই:) বলেন, এমটিএ’র মাধ্যমে আপনারা অনেক কিছু দেখেছেন আরও দেখবেন এছাড়া ‘আল্‌ ফযল’-এ বিস্তারিত রিপোর্ট ছাপা হবে সেখান থেকে আপনারা এ ব্যাপারে আরো জানতে পারবেন।

পরিশেষে আমি আহ্‌মদী মিশনারী যারা আফ্রিকাতে কাজ করছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কেবল এতটুকু বলতে চাই আপনারা স্থানীয় আহ্‌মদীদের সাথে প্রাণ খুলে মেলামেশা করুন। তাদের সামনে ঈমান ও আমলের দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। প্রাথমিক যুগে আমাদের মোবাল্লেগনের কুরবাণী স্বরণ করে নিজেরা ও পরিবার পরিজনদের সাথে নিয়ে উন্নত নৈতিক আদর্শ স্থাপন করুন।

হুযূর (আই:) বলেন, রীতি মোতাবেক জামাতের উন্নতীতে শত্রুরা হিংসায় ফেটে পড়ছে। পাকিস্তানে বিভিন্ন বক্ততা বিবৃতি প্রদান আরম্ভ হয়ে গেছে। তাই অনেক বেশি দোয়ার প্রয়োজন। শত্রুদের হিংসাত্মক অনিষ্ট থেকে রক্ষার জন্য খোদার সামানে বিনত হয়ে বেশি বেশি দোয়ার উপর জোর দিন।

প্রাপ্ত সুত্রঃ কেন্দ্রীয় বাংলা ডেস্ক, লন্ডন, ইউকে