In the Name of Allah, The Most Gracious, Ever Merciful.
Love for All, Hatred for None.
আলহাজ্জ ডঃ তারিক সাইফুল ইসলাম
ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আগমনের কথা বললে অনেকেই এই অভিমত ব্যক্ত করেন,
এই অভিমত দু’টির আলোচনা করাই প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য।
আমার এই প্রবন্ধে ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আগমন সম্পর্কে কয়েকটি মূল বিষয় আলোচনা করেছি। এগুলো হলোঃ
উপরোক্ত বিষয়গুলো আলোচনা করার সময় আমরা আহ্মদীয়া মুসলিম জামাতের সদস্য নন এমন বিজ্ঞ আলেমগণের এবং আহ্মদীয়া মুসলিম জামাতের বাইরে থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন ইসলামী প্রকাশনার উদ্ধৃতি দিয়েছি। উদ্দেশ্য এটি প্রদর্শন করা যে, ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আগমনের বিষয়টি শুধু আহ্মদীয়া মুসলিম জামা’ত নয়, এই জামাতের বাইরের বিজ্ঞ আলেমগণও ব্যাপকভাবে আলোচনা করছেন।
প্রবন্ধে অন্যান্য আলেমগণের উদ্ধৃতিগুলোর ভাষা সব স্থানে সঠিক মনে না হলেও আমরা এর পরিবর্তন করিনি। যেখানে আমরা আমাদের ব্যাখ্যা দিয়েছি তা বন্ধনীর মধ্যে দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রবন্ধের শেষে আমরা আমাদের অভিমত দিয়েছি। তবে এর যথার্থতা বিচার করার ভার পাঠকের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।
১.১ উম্মত জননী হযরত ফাতেমা (রাঃ) বর্ণনা করেন, হযরত নবী করীম (সাঃ)-কে তিনি এরূপ বলতে শুনেছেন যে, ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাব সম্পর্কে সন্দেহের কোনই অবকাশ নেই। (হাদীসে রসূল (সাঃ), মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ০৪)
২.১ ইবনে মাজায় বলা হয়েছে, অতঃপর ইমাম মাহ্দী আবির্ভূত হবেন। তোমরা যে কোন মূল্যে তাঁর হাতে বয়আত করার চেষ্টা করবে। (মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ০৪)
২.২ যখন তোমরা তাকে দেখতে পাবে তার কাছে বয়আত করিও, যদিও বরফের দেশে থাক এবং তোমাদেরকে হামাগুড়ি দিয়ে আসতে হয়। কেননা নিশ্চয় সে আল্লাহ্ তাআলার খলীফা মাহ্দী হবেন (মাসিক মদীনা, জানুয়রী ২০০৪, পৃষ্ঠা ২৯)।
২.৩ তিনি পৃথিবীতে (আল্লাহ্র) খলীফা, তাঁর কাছে বয়’আত করিও (হাজা খালীফাতী ফিল আরদ্ব ফাবাইউহু)। (মাসিক মদীনা, জুলাই ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৫)
৩.১ আবি কাতাদাহ বর্ণনা করেছেন, হযরত রসূলে করীম (সাঃ) বলেছেন, ইমাম মাহ্দী সম্পর্কিত লক্ষণসমূহ সেই ২০০ বছর পর দেখা দিবে যা হাজার বছর পর আসবে। (মিশকাত কিতাবুল ফিতান)
৩.২ উপরে ২.১-এর বর্ণিত হাদীসের ব্যাখ্যায় এবং সমর্থনে হযরত মোল্লা আলী কারী (রহঃ) লিখেছেনঃ সেই দুইশত বছর পরে, যা হাজার বছর পরে আসবে, সেটাই ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর যাহির হওয়ার সময়”। (মিরকাত, শরহে মিশকাত)
৩.৩ পীর আকবর মুহীউদ্দীন ইবনে আরবী (রাঃ) বলেছেনঃ সহস্র হিজরী সনের পরবর্তীকালে তিনশত বছর অতিক্রান্ত হবার দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবে, সে সময় হযরত ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাব হবার সময় উপস্থিত হবে। (মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ৩) {উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা প্রতীয়মান হয়, ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আবির্ভাব ত্রয়োদশ বা চতুর্দশ হিজরী শতব্দীতে হবে।}
৪.১ সৌরজাগতিক লক্ষণ মোজাদ্দেদ আলফেসানী (রঃ) ‘মাকতুবাত শরীফ’ এর দ্বিতীয় খন্ডে ৬৭ মাকতুবে লিখেছেন: ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাবের জামানায় রমজান মাসের ১৪ তারিখ সূর্যগ্রহণ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসেবের বিপরীত এবং কালের নিয়মের বিপরীতে উক্ত রমজান মাসের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ হবে। (মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৫)
শায়খ আকবর মুহীউদ্দীন ইবনে আরাবী (রঃ) ‘ফতুহাতে মক্কীয়া’ কিতাবে লিখেছেন (কানযুল উম্মাল গ্রন্থেও অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে): ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাবের অব্যবহিত পূর্বে একই রমজান মাসে চন্দ্রগ্রহণ এবং সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হবে (মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৫-১৬)।
হযরত রসূলে আকরাম (সাঃ) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, যে বছর রমযান মাসে চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ উভয়ই (এক মাসে) সংঘটিত হবে, ঠিক সেই বছরই হজ্জের মৌসুমে ইমাম মাহ্দী আত্মপ্রকাশ করবেন। (ডঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মুসলিম পুনর্জাগরণ: প্রসঙ্গ ইমাম মাহ্দী, মদীনা পাবলিকেশন্স, ঢাকা, ২০০৫, পৃঃ ৬৯)
{চন্দ্রগ্রহণ এবং সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে যে হাদীসটি রয়েছে তাতে এই গ্রহণসমূহ প্রকৃতির নিয়মের বিপরীতে হবে এবং ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাবের অব্যবহিত পূর্বে সংঘটিত হবে এমন কোন কথা নেই। মূল হাদীসটি হ’ল, “ইন্না লি মাহ্দীনা আয়াতায়নে, লাম তাকূনা মুন্যু খালকিস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরয্; ইয়ানকাসিফুল কামারু লি আওওয়ালি লাইলাতিম মির রামাযানা, ওয়া তানখাসিফুশ্ শামসু ফিন্নিসফি্ মিনহু” অর্থাৎ নিশ্চয় আমাদের মাহ্দীর জন্য এমন দু’টি নিদর্শন রয়েছে যা আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি অবধি (কারো সত্যতার নিদর্শন্স্বরূপ) প্রকাশিত হয়নি। (তা এই,) চন্দ্রগ্রহণ হবে (চন্দ্রগ্রহণের রাতগুলোর) প্রথম রাতে ও সূর্যগ্রহণ হবে এর (অর্থাৎ সূর্যগ্রহণের দিনগুলোর) মধ্যম দিনে।}
৪.২ ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাব কালে আরব অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক অবস্থার বিবরণ ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাবকালীন সময়ে আরব ভূমি হবে উর্বর এবং সরস। কৃত্রিম খালের পানির প্রবাহ নিশ্চিত করে ধূসর মরুভূমি সুজলা সুফলা হবে। বাগবাগিচায় ভরে যাবে। শস্যের প্রচুর উৎপাদন হবে। বিভিন্ন প্রকার খনিজ আবিষ্কারের ফলে আরববাসীরা সম্পদশালী হবে। সেসময় সম্পদের এতই প্রাচুর্য হবে যে, কেউ যাকাত গ্রহণ করবে না। (মুসলিম মেশকাত শরীফ; মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৪)
মাসিক মদীনার বিজ্ঞ লেখক বেশ কয়েকজন ইসলামী বিশিষ্ট চিন্তাবিদের কথা বলেছেন যারা ঘোষণা করেছেন, ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর জন্ম হয়ে গেছে বা তাঁর আগমন অতি নিকটে। এই ঘোষণাগুলো নিম্নরূপঃ
৫.১ ইসলামী চিন্তাবিদ ও পীর মাওলানা মোহাম্মদ মঈজ উদ্দিন হামিদী সাহেব, খুলনা-এর ঘোষণা অভিন্ন পাকিস্তান থাকাকালীন ১৯৭০ সনে তৎকালীন রাজশাহী জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমার অধীনে বালিয়া ডাঙ্গা গ্রামে এক বৃহৎ ধর্মীয় জলসায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত ধর্মানুরাগীদের উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন ইমাম মাহ্দীর জন্ম হয়ে গেছে। পীর সাহেব ইমাম মাহ্দীর জন্ম কোথায় বা কখন হয়েছে তা বিস্তারিত কিছুই বলেননি। সে মজলিসে প্রায় ১০,০০০ (দশ হাজার) লোক উপস্থিত ছিলেন। (মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৬)
৫.২ ইসলামী চিন্তাবিদ ফুরাফুরা শরীফে পীর মোহাম্মদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী সাহেব, (কোলকাতা, ভারত)-এর ঘোষণা ১৯৮৫ সনের ফেব্রুয়ারী মাসে ঈশ্বরদীর ইসালে সওয়াব মাঠে বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ফুরফুরা শরীফের পীর মোহাম্মদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী হাজার হাজার লোকের উপস্থিতেতে ঘোষণা করেন, ইমাম মাহ্দীর জন্ম হয়ে গেছে। তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেছেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেন নি। (মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৭)
৫.৩ সৌদী আরব থেকে আগত তাবলীগ জামাতের আমীরের ঘোষণা গত অক্টোবর ২০০৩-এ সৌদী আরব থেকে আগত তাবলীগ জামাতের আমীর বিশেষ আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, `Imam Mahadi is knocking at the door’ (ইমাম মাহ্দী দরজায় কড়া নাড়ছেন) মারকাজ মসজিদ কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ এর জামাতে উপস্থিত মুসল্লিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য। (মাসিক মদীনা, জানুয়ারী ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৭)
আল্লামা ইবনে কাসীর (রহঃ) ‘আলামাতে ইয়াওমেল কিয়ামাহ’ গ্রন্থের ৩৬ পৃষ্ঠায় লিখেছেনঃ সেই প্রশংসিত এবং প্রতিশ্রুত ইমাম মাহ্দী শেষ যামানায় সশরীরে আবির্ভূত হবেন। পূর্বাঞ্চল হতে তিনি প্রকাশিত হবেন। (ডঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মুসলিম পুনর্জাগরণ: প্রসঙ্গ ইমাম মাহ্দী, মদীনা পাবলিকেশন্স, ঢাকা, ২০০৫ পৃঃ ১৩৯)
বাগদাদ শরীফের বড় পীর হযরত সৈয়দ মুহীউদ্দীন আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) ভবিষ্যদ্বাণী করেন, তাঁর মৃত্যুর ৪০০ বছর পরে মোজাদ্দেদ আলফে সানী (রহঃ) আগমন করবেন যা সত্যে পরিণত হয়েছে। আবার হযরত মোজাদ্দেদে আলফে সানী (রহঃ) ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, তাঁর মৃত্যুর ৪০০ বছর পরে ‘আহমদ’ নামে একজন বিশ্ব নেতা বা সংস্কারকের আবির্ভাব হবে। হিজরী ১৫০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে (২০০২ ইংরেজী সনের পরে) উক্ত ৪০০ বছর শেষ হবে। অতএব আশা করা যায়, হিজরী ১৫শ শতাব্দীর প্রথমভাগে (অর্থাৎ ২০০২ সালের মধ্যে) ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আবির্ভাব অনিবার্য। (হযরত শাহ সূফী এম, এন, আলম, ২০০২ সালের মধ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং বিশ্বশান্তির পয়গাম নিয়ে ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আগমন, ওরিয়েন্টাল বুক সার্ভিস, ঢাকা, ১৯৯৭, পৃঃ ৫১)
একজন বিশিষ্ট লেখক লিখেছেন, “ইসলামী চিন্তাবিদদের ঘোষণা অনুসারে ইমাম মাহ্দীর আবির্ভাবের সময় খুবই নিকটবর্তী। এটা সত্য হলে আমাদের অবশ্যই মানসিকভাবে ইমাম মাহ্দীকে সাহায্যের জন্য (বা আন্তরিকভাবে গ্রহণের জন্য) প্রস্তুত থাকতে হবে। হাদীস অনুসারে তাঁকে এবং তাঁর সাহায্যে আসা সেনাবাহিনীকে সকলের সাহায্য করা ওয়াজেব। ইমাম মাহ্দীর যখনই আবির্ভাব হোক না কেনো সত্য ভক্তদের অবশ্যই ইমাম মাহ্দীকে স্বাগত জানানোর জন্য সদা সর্বদাই প্রস্তুত থাকা উচিত। শেষ যামানায় ইসলামকে রক্ষার জন্য এটাই হবে সর্বশেষ এবং একমাত্র উপায়”। (মুসলিম পুনর্জাগরণ: প্রসঙ্গ ইমাম মাহ্দী, মদীনা পাবলিকেশন্স, ঢাকা, ২০০৫, পৃঃ ১০৪)
হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ) ১৮৩৫ খৃষ্টাব্দে (অর্থাৎ ত্রয়োদশ হিজরী শতাব্দীতে) জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৮৯ খৃষ্টাব্দ (অর্থাৎ চতুর্দশ হিজরী শতাব্দী) থেকে ইমাম মাহ্দী হিসাবে বয়’আত গ্রহণ শুরু করেন। তাঁর সত্যতার নিদর্শনস্বরূপ একই রমযান মাসে চন্দ্রগ্রহণ এবং সূর্যগ্রহণ হয়েছে (১৮৯৪ সালে পূর্ব গোলার্দ্ধে এবং ১৮৯৫ সালে পশ্চিম গোলার্দ্ধে)। তাঁর জন্ম পূর্বাঞ্চলে হয়েছে। তাঁর নাম ‘আহমদ’। উপরে বর্ণিত হাদীস এবং বুযুর্গানে দ্বীনের অভিমতের সঙ্গে এই বিষয়গুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ। আহ্মদীয়া মুসলিম জামা’ত নামে পরিচিত তাঁর প্রতিষ্ঠিত জামা’ত বর্তমানে পৃথিবীর ১৯৪টি দেশের মধ্যে ১৮৩টি দেশেই রয়েছে। তাঁর অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ২০ কোটি যা ক্রমাগত বাড়ছে।
বুযুর্গানে দীনের অভিমত অনুসারে ত্রয়োদশ বা চতুর্দশ হিজরী শতাব্দীতে ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আগমন হওয়ার কথা। যেহেতু এখন চতুর্দশ শতাব্দী পার হয়ে পঞ্চদশ হিজরীরও ছাব্বিশ বছর অতিবাহিত হয়েছে সেহেতু সবার কাছে একটি বড় প্রশ্ন, ত্রয়োদশ বা চতুর্দশ হিজরী শতাব্দীতে প্রতিশ্রুত ইমাম মাহ্দী (আঃ) হওয়ার দাবীদার কে এবং তাঁর সত্যতা কিভাবে যাচাই করা যায়?
উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যাচ্ছে, ইমাম মাহ্দী (আঃ) অবশ্যই আসবেন, তিনি এলে তাঁকে মানতে হবে, তিনি ত্রয়োদশ বা চতুর্দশ হিজরী শতাব্দীতে আসবেন, তিনি পূর্বাঞ্চলে আসবেন এবং তাঁর নাম ‘আহমদ’ হবে। আরব ভূমিতে পানি সেচের মাধ্যমে চাষ হবে এবং খনিজ পদার্থ আবিষ্কারের ফলে আরববাসীদের আর্থিক অবস্থার অসাধারণ উন্নতি হবে।
যেহেতু এখন ১৪২৮ হিজরী সন চলছে, অর্থাৎ এটা পঞ্চদশ হিজরী, সেহেতু চতুর্দশ হিজরী শতাব্দীতে ইমাম মাহ্দী হওয়ার দাবীদার হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ)-কে মান্য করা উচিত। যাঁরা হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ)-এর দাবী মানতে অস্বীকার করেন তাঁদের কাছে আমাদের আহ্বান তাঁরা যেন ত্রয়োদশ বা চতুর্দশ হিজরী শতাব্দীর প্রত্যাশিত ইমাম মাহ্দী (আঃ)-কে উপস্থিত করেন।
পাক্ষিক আহ্মদী - ৩১শে জানুয়ারী ২০০৭